মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষে প্রাণ বাঁচাতে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৯৫ জন সদস্য অস্ত্রসহ পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছেন। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম।
এদিকে বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়েই চলছে। মিয়ানমারে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দখলে নিচ্ছে একের পর এক শহর। এতে আতংক বাড়ছে বাংলাদেশের টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ির গ্রামগুলোতে। গেল কয়েকদিনে মিয়ানমার থেকে কয়েকটি মর্টার শেল এসে পড়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্তে। উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তেও অস্থিরতা আছে। ভয়ে ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা এলাকা ছাড়ছে।
গতকাল রোববার (৪ ই জানুয়ারি) সকাল থেকে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু এবং উখিয়ার পালংখালী ও টেকনাফের হোয়াইক্যং এর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এসময় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে এদিন আহত হন তিনজন বাংলাদেশি।
বিজিবি জানিয়েছে, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র জমা দিয়ে বিজিবি ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৫জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। দু’জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বিজিপি সদস্যদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।